Header Border

কুমিল্লা, শনিবার, ৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল) ৩২°সে

খালিপেটে কিশমিশ খেলে কী হয়? জেনে নিন

ভেজানো কিশমিশ শরীরের জন্য কত উপকারি জানেন? কিশমিশ শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায়।
শুকনো কিশমিশ খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি। কিশমিশ ভেজানো পানি রক্ত ​​পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন কিশমিশের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পাবেন ওষুধ ছাড়াই। এছাড়া কিশমিশ হৃদয় ভালো রাখে। নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরল।
কিশমিশে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ আছে। আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা সহজে রোগমুক্তির কারণ। আর আছে প্রচুর আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার।
ভেজানো কিশমিশের উপকারিতা-

কিশমিশ খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় সারারাত কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেটা খান। ভেজানো কিশমিশে থাকে আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার। তাছাড়া এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি শরীরের কোনও ক্ষতি করে না। হাই ব্লাডপ্রেসারের সমস্যা থাকলেও এটি তা নিয়ন্ত্রণে রাখে। একই ভাবে কিশমিশ ভেজানো পানিও শরীরের পক্ষে উপকারি।
১. ব্লাড প্রেসার
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলোর মধ্যে একটি কিশমিশ। এর মধ্যে থাকা পটাসিয়াম হাই ব্লাড প্রেসার বশে রাখে।
২. রক্ত স্বল্পতা কমায়

রক্ত স্বল্পতা কমাতে কিশমিশ যথেষ্ট উপকারি। নিয়মিত খেলে এর মধ্যে থাকা আয়রন হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। এছাড়াও এর মধ্যে আছে তামা যা রক্তে লাল রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে।
৩. হজমশক্তি বাড়ায়
সুস্থ থাকার জন্য ভালো হজমশক্তি জরুরি। এক্ষেত্রে কিশমিশ হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। রোজ রাতে এক গ্লাস পানিতে কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেই কিশমিশ খান। নিজেই তারপর তফাত খেয়াল করুন দিন পনেরো পরেই।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াতে চান তবে ভেজা কিশমিশ এবং তার জল নিয়মিত খান। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫. বিষমুক্ত শরীর
শরীরকে দূষণমুক্ত করতে কিশমিশ খান নিয়মিত। চারিদিকের দূষণে আপনি যখন জেরবার তখন সকালে খালি পেটে ভেজানো কিশমিশ খেলে শরীর বিষমুক্ত হবে। ভেজানো কিশমিশের পাশাপাশি কিশমিশ ভেজানো পানিও খেতে পারেন।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
নিয়মিত কিশমিশ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে। আপনি যদি পেটের সমস্যায় নিয়মিত ভোগেন তাহলে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে ভেজানো কিশমিশ খান। যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যে কষ্ট পান তাঁরা ওষুধের বদলে নিয়মিত কিশমিশ খেয়ে দেখতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

ছাত্রলীগ নেতার বিনামূল্যে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার-জিবানুনাশক বিতরণ
আল আকসায় মাইকে আজান বন্ধ করায় ইসরায়েলের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান
মামুনুলের আরেক ‘স্ত্রীর’ সন্ধান চেয়ে ভাইয়ের জিডি
বঙ্গবন্ধু গেমসের নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হবে হাতিরঝিলে
আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ ১৪ এপ্রিল থেকে
ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে ছাত্রলীগ

এখানে বিজ্ঞাপন দিন

আরও খবর

এখানে বিজ্ঞাপন দিন

এখানে বিজ্ঞাপন দিন

error: Content is protected !!